তথাকথিত লালন ধর্মের উন্মাদনা এবং বেহায়াপনা

বাউল সঙ্গীত বাংলার লোকসংস্কৃতির এবং লোকগাঁথার এক বিশেষ অংশ। ইতিহাস থেকে জানা যায় অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত তথাকথিত একশ্রেণীর গ্রাম্য লোকদের মুখে মুখে রচিত হত বাউল গান। সেই সময় থেকেই কিছু মানুষ এসব বাউল গানকে ধর্মের বাণীর চেয়েও বড় হিসেবে মেনে নিত। একজন বাউল মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন এই অজ্ঞেয়-অধরা আর কোথাও নয়, মন্দিরে নয়, মসজিদে নয়, গীর্জায় নয় আছেন এই শরীরের খোলেই। যদিও তিনি রহস্যময় কিন্তু সঠিক ভাবে ডাকলে তাঁর সাড়া অবশ্যই পাওয়া যায়। সেই থেকে উক্ত শ্রেণির মানুষ ধর্ম চর্চা ছেড়ে বাউল চর্চায় নিমজ্জিত হয়। মজার বিষয় হলো বর্তমান প্রজন্মের যুবকরা এসব না বুঝেই বাউল গানে তৃপ্তি খুঁজে। লালন শাহ বাউল গানে শ্রেষ্ঠ ছিলেন তা অস্বীকার করার নয়। কিন্তু সে ছিল একটা উন্মাদ তাইতো লালন বলেচছে! _ যেখানে সাঁই এর বারামখানা শুনিলে প্রাণ চমকে ওঠে দেখিতে যেমন ভূজঙ্গনা।। ভুজঙ্গনা মানে ফনাধরা সাপ, নারীর ইউরেটাস। অর্থাৎ সে বুঝিয়ে ঈশ্বর নারির যৌনাঙ্গে রয়েছেন। এসব কথার মারপ্যাঁচ না বুঝেই কিছু লোক ঢোলের শব্দে মাথা নাড়াতে গিয়ে নিজের ধর্মীয় চেতনা ভুলে বাউল ধর্মে নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছে। বাউল গুরুর কাছে গিয়ে গাজা টানে। অনেকে আবার গাঞ্জা না টানলেও বাউল সম্রাট লালনকে মননে খুঁজতে গিয়ে লালন ধর্ম সৃষ্টি করেছে। বাউলদের ধর্মীয় পরিচয় না জেনেও নারী-পুরুষ তথাকথিত মাজারে রাত্রি যাপন করে। ন্যাড়ার ফকির লালন চন্দ্রের অনুসারীরা সর্বকেশী,তারা দাঁড়ি-গোফ বা সর্বাঙ্গের কোন লোমই পরিস্কার করে না। লালনের আসল নাম লালন চন্দ্র কর, নারীর গোপনাঙ্গ ভজনই এদের একমাত্র কাজ, বৈষ্নবদের উপাস্য দেবতাই এরা উপাসনা করে। গুরু আর সাধন সঙ্গীর মল মুত্র রজ:বির্য্য পান করা, কুমারী নারীর স্তনচোষা এদের সর্বরোগের মহৌষধ। পরিতাপের বিষয় হচ্ছে কিছু গর্দভ মনে করে লালন আউলিয়া। যে ব্যক্তি জীবনে এক ওয়াক্ত নামাজ রোজা আদায় করলো না।। যার অনুসারীরা আধ্যাত্নিক সাধনার শ্রেষ্ঠতম অনুপান গঞ্জিকা(গাঁজা) মনে করে সেই গুরুকে আউলিয়া মনে করা পাগলের পক্ষেই সম্ভব। অবাক করা বিষয় কিছু তথাকথিত সাহিত্যিক আছে যারা লালন নিয়ে গবেষণা করে লালন প্রেমী সাজেন। বিশেষ করে কিছু মুসলমান অতি মাত্রার লালন ভক্তির ফলে যেসকল কাজ করে তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মধ্যে পড়ে। সময় এসেছে এসব উন্মাদনা থেকে মুক্তি লাভের। আধুনিক যুগে সঠিক বুঝা ও জানার জন্য তেমন কষ্ট করতে হবেনা শুধু ইচ্ছের প্রয়োজন। লালনের বাৎসরিক উৎসবের নামে বেহায়াপনা বা বাউল সঙ্গ বন্ধ করা সময়ের দাবি। হাজার হাজার যুবকদের গাজা শ্রবণের অন্যতম কারণ বাউল চেতনায় বিশ্বাস করা। লেখক: আব্দুল্লাহ আল শাহীন শারজাহ/ইউএই

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
https://www.awaazbd.news/author/oeazq8
mujib_100
ads
আমাদের ফেসবুক পেজ
সংবাদ আর্কাইভ