যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সি অঙ্গরাজ্যের বাংলাদেশি নারীর মরদেহ মিলল মিশরের হোটেলে

১১৩২
ফাতেমা খান খুকি
ফাতেমা খান খুকি - ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক ও নিউজার্সির পরিচিত মুখ, বিউটি এক্সপার্ট ও বাংলাদেশি-আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফাতেমা খান খুকির (৪৪) লাশ মিসরের কায়রোর একটি হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে সে দেশের পুলিশ।  সাত দিন আগে ফাতেমা ব্যক্তিগত ভ্রমণে কায়রো গিয়েছিলেন। ২১ জুলাই নিজ হোটেল কক্ষে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ফাতেমাকে হত্যা করা হয়েছে।

কায়রোর আমেরিকান দূতাবাস বাংলাদেশে ফাতেমার বোনকে টেলিফোনে এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছে। তবে কীভাবে নিজ হোটেল কক্ষে ফাতেমার মৃত্যু হলো, এ ব্যাপারে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফাতেমার এক নিকটাত্মীয় এই প্রতিবেদককে জানান, কায়রোর পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। লাশের ময়নাতদন্তের পর ঘটনার বিস্তারিত জানাবে।

ফাতেমা খানের বান্ধবী নিউইয়র্কের বাংলা টিভির উপস্থাপিকা শারমিনা সিরাজ প্রথম আলো উত্তর আমেরিকাকে বলেন, ‘আমিও খবরটি পেয়েছি। কোনোভাবেই বিষয়টি মেনে নিতে পারছি না। খুকি কেন মিসর গিয়েছিলেন, কারও সঙ্গে গিয়েছিলেন কি না, কিংবা কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কি না—এমন কোনো কিছুই আমরা জানি না। যতটুকু জানতে পেরেছি, তিনি প্লাস্টিক সার্জারির একটি কাজে মিসর গিয়েছেন। আমি তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি।’

শারমিনা আরও বলেন, পরিবার প্রথমে খুকির মরদেহ মিসর থেকে বাংলাদেশে নেওয়ার কথা বলছিল। কিন্তু ফাতেমা খান খুকি যেহেতু আমেরিকার নাগরিক, তাই তদন্তের স্বার্থে মরদেহ এখানেই আসবে।

জানা গেছে, ফাতেমা খান বিউটি এক্সপার্ট হিসেবে কাজ করতেন। তিনি কিছুদিন মেসি’জ-এ কাজ করেছেন। তিনি নিউজার্সিতে একাই বসবাস করতেন। ফেনীর মেয়ে ফাতেমা খান বিবাহ–বিচ্ছেদের পর হাডসন নদীর পারের জার্সি সিটি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট আরও তিন নারীর সঙ্গে শেয়ার করে থাকতেন।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বাংলাদেশির রহস্যজনক মৃত্যুতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটি স্তব্ধ। ১৩ জুলাই খ্যাতিমান উদ্যোক্তা ফাহিম সালেহকে তাঁর নিজের অ্যাপার্টমেন্টে হত্যা করা হয়।

শাহ আহমদ সাজ
শাহ আহমদ সাজ
https://www.awaazbd.news/author/awaaz-usa

শাহ আহমদ সাজ ১৯৮৭ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জন্মগ্রহন করেন। শিক্ষা জীবনের শুরু ঢাকার সানরাইজ প্রি ক্যাডেট এন্ড কলেজে। তারপর ২০০৪ সালে কুলাউড়ার জালালাবাদ হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৬ সালে মদন মোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ২০০৭ সালে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজি অনার্সে ভর্তি হন।এরপর ইনফরমেশন টেকনোলজিতে পড়ালেখার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান এবং ক্রাউন ইন্টারন্যাশনাল কলেজে ব্যাচেলর শেষ করেন। বর্তমানে সপরিবারের যুক্তরাস্ট্রে বসবাসরত শাহ আহমদ, ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সৃজনশীল সবধরনের কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে আওয়াজবিডি ও সাপ্তাহিক আওয়াজবিডির প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশের দায়িত্ব পালন করছেন।শাহ আহমদ বাংলাদেশ ডন-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।

ads